বন্ধন ব্যাঙ্কের খপ্পরে
"বন্ধন ব্যাঙ্কের খপ্পরে"
-মাইনুল ইসলাম-
বন্ধন ব্যাঙ্কের খপ্পরে ভাই
পড়ো না খবরদার!
জীবনতরী ডুববে নদে
কেঁদে পাবে না পার।
লোন নেওয়ার আগে পাঁচবার ভাবো
নিয়ো না কেউ ঝুঁকি,
লোনের দায়ে সর্বস্বান্ত
যত গরিব দুঃখী।
অভিশপ্ত বন্ধন ব্যাঙ্ক
ঠগ চিটফান্ড যত,
সুদাসলে টাকা লুটে
খেয়াল খুশি মত।
বন্ধন লোনে গরিব টানে
অভাবের সংসারে,
শোষণ থেকে নাই মুক্তি
বাংলার ঘরে ঘরে।
গরিব শোষণ সুদে খুদে
সুদখোর ফেলে ফান্দে,
সুদ গুণতে পয়সা ওসুল
গরিব দুঃখী কান্দে।
বিড়ি শ্রমিক মুটে মজুর
ছা-পোষা সংসারে,
দারিদ্রতার অন্ধকারে
ডুবছে পারাবারে।
ইসলাম ধর্মে সুদ কারবার
কঠোরভাবে মানা,
তবুও কেন সুদ খায় মানুষ
শুধু কি টালবাহানা?
বিনাসুদে ধার দেয় না
বিত্তশালী ধনী,
তাই গরিব দুঃখী নিরুপায় ভাই
সুদে আসলে ঋণী।
পয়সা বিনা মরবে না কি
মরবে সব অকালে?
জান বাঁচাতে লোন নেয় তারা
জড়ায় পাপের জালে।
নির্দিষ্ট দিনে কিস্তি নেবে
সংসার চালা দায়,
ঘাড়ে গামছা বেঁধে টান মারবে
পালাবে কোথায়?
বন্ধন ব্যাঙ্কের হর্তাকর্তা
যত সব চামচা,
মানুষের চামড়া নাই গায়ে
টাকায় মারে খামচা।
পোলাপানের কান্নাকাটি
ক্ষিদে অনাহারে,
ব্যথীর ব্যথা ক'জন বুঝে
কে দাঁড়াতে পারে?
ক্ষিদের জ্বালায় ঘুমিয়ে গেছে
ডাবের বিছানায় শিশু,
অসহায় বাবা ডুঁকরে কাঁদে
দিতে পারে নি কিছু।
ভন্ড সমাজ ভন্ড মানুষ
ভন্ড গাঁয়ের নেতা,
গরিবের ধন লুঠ করে খাও
আবার মুখে মারো জুতা।
সমবন্টন আর নেই কো দেশে
গরিবের রক্ত শোষণ।
ধনীর ধন বাড়ছে আরো
শুধুই স্বজন পোষণ।
Comments
Post a Comment